গ্রেফতারি এড়াতে বার বার ঠিকানা বদলাচ্ছেন উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের মডেল শ্রদ্ধা দুবে। ক্যাফে মালিক শিবা শর্মার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁকে খুঁজছে পুলিশ। সীমান্ত পেরিয়ে নেপালে পালিয়ে যাওয়ার ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু তার পরেও শ্রদ্ধার নাগাল পাচ্ছে না পুলিশ।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, প্রতিদিন ঠিকানা বদলাচ্ছেন শ্রদ্ধা এবং তাঁর বোন রশ্মি। তাঁদের মোবাইলের অবস্থান চিহ্নিত করে পুলিশ সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছোনোর আগেই ঠিকানা বদলে ফেলছেন শ্রদ্ধারা। ফলে ম়ডেল তথা সমাজমাধ্যমপ্রভাবী শ্রদ্ধাকে ধরতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে পুলিশকে। সীমান্ত এলাকা এবং মোবাইল পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এমন কেউ তাঁদের সহযোগিতা করছেন বলে সন্দেহ করছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, শ্রদ্ধাদের নাগাল পেতে ভারতের তিনটি মোবাইল নম্বর এবং নেপালের একটি মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে লাগাতার নজরদারি চালানো হচ্ছে। ঘটনার পর ৮ দিন হয়ে গিয়েছে। শ্রদ্ধাদের কেন গ্রেফতার করা যাচ্ছে না, তা নিয়ে সরব হয়েছে শিবার পরিবার। উল্লেখ্য, দু’দিন আগেই শ্রদ্ধাদের দু’টি ছবি প্রকাশ্যে আসে। সেই ছবি দু’টি নেপালের বলে দাবি করা হয়। ঘটনাচক্রে, নেপালের সীমান্তলাগোয়া জেলা বহরাইচের রূপাইডিহার কাছে শ্রদ্ধাদের গাড়ির হদিস মেলে। তা থেকেই তদন্তকারীদের সন্দেহ হয় শ্রদ্ধারা নেপালে আশ্রয় নিয়েছেন। তার মধ্যেই নেপাল সীমান্তে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে শ্রদ্ধাদের দেখা যায়। সেখানে একটি টোটোতে শ্রদ্ধা, তাঁর বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক আদিলকে দেখা গিয়েছে। তার পর থেকে নেপালে শ্রদ্ধাদের খোঁজে তল্লাশি জারি রেখেছে লখনউ পুলিশ। এ ক্ষেত্রে নেপাল পুলিশের সহযোগিতাও নেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
গত ৯ অক্টোবর ক্যাফে মালিক শিবার দেহ উদ্ধার হয়। শ্রদ্ধা যে আবাসনে থাকতেন, সেই আবাসনের চারতলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি। যদিও শিবার মায়ের অভিযোগ তাঁকে খুন করা হয়েছে। খুনের অভিযোগ তুলেছেন শিবার লিভ ইন সঙ্গী শ্রদ্ধা, তাঁর বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক আদিলের বিরুদ্ধে। তার পর থেকেই পলাতক তিন জনই।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, প্রতিদিন ঠিকানা বদলাচ্ছেন শ্রদ্ধা এবং তাঁর বোন রশ্মি। তাঁদের মোবাইলের অবস্থান চিহ্নিত করে পুলিশ সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছোনোর আগেই ঠিকানা বদলে ফেলছেন শ্রদ্ধারা। ফলে ম়ডেল তথা সমাজমাধ্যমপ্রভাবী শ্রদ্ধাকে ধরতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে পুলিশকে। সীমান্ত এলাকা এবং মোবাইল পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এমন কেউ তাঁদের সহযোগিতা করছেন বলে সন্দেহ করছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, শ্রদ্ধাদের নাগাল পেতে ভারতের তিনটি মোবাইল নম্বর এবং নেপালের একটি মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে লাগাতার নজরদারি চালানো হচ্ছে। ঘটনার পর ৮ দিন হয়ে গিয়েছে। শ্রদ্ধাদের কেন গ্রেফতার করা যাচ্ছে না, তা নিয়ে সরব হয়েছে শিবার পরিবার। উল্লেখ্য, দু’দিন আগেই শ্রদ্ধাদের দু’টি ছবি প্রকাশ্যে আসে। সেই ছবি দু’টি নেপালের বলে দাবি করা হয়। ঘটনাচক্রে, নেপালের সীমান্তলাগোয়া জেলা বহরাইচের রূপাইডিহার কাছে শ্রদ্ধাদের গাড়ির হদিস মেলে। তা থেকেই তদন্তকারীদের সন্দেহ হয় শ্রদ্ধারা নেপালে আশ্রয় নিয়েছেন। তার মধ্যেই নেপাল সীমান্তে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে শ্রদ্ধাদের দেখা যায়। সেখানে একটি টোটোতে শ্রদ্ধা, তাঁর বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক আদিলকে দেখা গিয়েছে। তার পর থেকে নেপালে শ্রদ্ধাদের খোঁজে তল্লাশি জারি রেখেছে লখনউ পুলিশ। এ ক্ষেত্রে নেপাল পুলিশের সহযোগিতাও নেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
গত ৯ অক্টোবর ক্যাফে মালিক শিবার দেহ উদ্ধার হয়। শ্রদ্ধা যে আবাসনে থাকতেন, সেই আবাসনের চারতলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি। যদিও শিবার মায়ের অভিযোগ তাঁকে খুন করা হয়েছে। খুনের অভিযোগ তুলেছেন শিবার লিভ ইন সঙ্গী শ্রদ্ধা, তাঁর বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক আদিলের বিরুদ্ধে। তার পর থেকেই পলাতক তিন জনই।